একটা সোলার সিস্টেম মানে প্রায় দুই লাখ টাকার সিদ্ধান্ত। এই সাধারণ ফাঁদগুলো চিনে রাখলে কেউ সহজে ঠকাতে পারবে না।
কীভাবে হয়: বিক্রেতার লাভ বড় সিস্টেমে, তাই বেশি কিলোওয়াট বসানোর চাপ আসে।
কী করবেন: আগে নিরপেক্ষভাবে জেনে নিন আপনার আসলে কত কিলোওয়াট দরকার। 3 কিলোওয়াটের পরে ভর্তুকি বাড়ে না, শুধু খরচ বাড়ে।
কীভাবে হয়: দাম সস্তা দেখাতে “after subsidy” দর বলা হয়, কিন্তু আসল অঙ্ক মেলে না।
কী করবেন: সবসময় পুরো দাম (ভর্তুকির আগে) জানতে চান, আর নিশ্চিত করুন আপনি আলাদাভাবে কত ভর্তুকি পাবেন। ভর্তুকি সরকার আপনার ব্যাঙ্কে দেয়, installer নয়।
কীভাবে হয়: প্যানেল DCR (ভারতে তৈরি) ও ALMM অনুমোদিত না হলে গোটা ভর্তুকিটাই বাতিল।
কী করবেন: quote-এ প্যানেল DCR + ALMM কিনা লিখিতভাবে চান। এটাই সবচেয়ে জরুরি “ঠকবেন না” পরীক্ষা।
কীভাবে হয়: inverter-এ খরচ কমাতে নিম্নমানের brand বা ভুল সাইজ দেওয়া হয়।
কী করবেন: inverter-এর brand, সঠিক সাইজ আর warranty-র মেয়াদ যাচাই করুন (প্রায়ই এখানেই ফাঁকি থাকে)।
কীভাবে হয়: প্যানেল ধরে রাখা কাঠামোয় সস্তা লোহা দিয়ে খরচ কমানো হয়, যা কয়েক বছরে মরচে ধরে।
কী করবেন: ভালো galvanised (GI) structure চান — এটা দশকের পর দশক টেকে।
কীভাবে হয়: কেউ কেউ net-metering-এর ঝামেলা গ্রাহকের ঘাড়ে ফেলে দেয়, যা ছাড়া ভর্তুকিই আটকে যায়।
কী করবেন: লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন net-metering আবেদন ও DISCOM-এর কাগজপত্র কে করবে।
কীভাবে হয়: “আজ বুক করলে ছাড়” বলে তাড়াহুড়োয় সিদ্ধান্ত নেওয়ানো হয়।
কী করবেন: কোনো তাড়া নয়। অন্তত 2–3টে quote নিন, ঠান্ডা মাথায় মেলান। ভালো installer সময় দেবে।
কীভাবে হয়: প্যানেলের product ও performance warranty আলাদা — একটা বললে অন্যটা লুকোনো থাকে।
কী করবেন: দুটো warranty-ই আলাদা করে জানতে চান, লিখিতভাবে।
সবচেয়ে বড় সুরক্ষা: যিনি প্যানেল বেচছেন তাঁর পরামর্শ কখনও পুরোপুরি নিরপেক্ষ নয়। টাকা দেওয়ার আগে একজন স্বাধীন লোককে দিয়ে quote যাচাই করিয়ে নিন।
সই করার আগে আমরা নিরপেক্ষভাবে দেখে বলি কোথায় ঠিক, কোথায় সাবধান।
quote পাঠান