বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় এমন ব্যবসায় সোলারের হিসাব যন্ত্রপাতির ব্যবহারের ধরনের ওপর নির্ভর করে।
ওয়ার্কশপ, প্রিন্টিং প্রেস, কোল্ড স্টোরেজ — এই ধরনের ব্যবসায় বিদ্যুৎ খরচ সবচেয়ে বড় খরচের একটা। সোলার এখানে কতটা কাজে লাগে তা নির্ভর করে যন্ত্রপাতির ব্যবহারের ধরনের ওপর।
ওয়ার্কশপ ও প্রিন্টিং প্রেসের মতো ব্যবসায় সাধারণত দিনের বেলা মেশিন চলে — কাটিং, প্রিন্টিং, কম্প্রেসার, মোটর। এই ধরনের লোড সোলারের উৎপাদনের সময়ের সাথে সরাসরি মিলে যায়, তাই সোলার বিদ্যুৎ সরাসরি ব্যবহার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি — গ্রিডে রপ্তানি করে কম দামে ক্রেডিট নেওয়ার দরকার কম পড়ে।
কোল্ড স্টোরেজের কম্প্রেসার 24 ঘণ্টাই চলে, শুধু দিনে নয়। তাই:
কোল্ড স্টোরেজের মতো ব্যবসায় প্রথমে অন-গ্রিড সোলার দিয়ে দিনের লোড কমানো, আর ব্যাটারি/হাইব্রিড পরে যোগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া — এই ধাপে ধাপে পদ্ধতি অনেক সময় বেশি বাস্তবসম্মত হয়।
বাণিজ্যিক/শিল্প ট্যারিফ বেশি, দিনের ব্যবহার বেশি, আর accelerated depreciation-এর সুবিধা (আগের পোস্টে বিস্তারিত) — এই তিনটে মিলিয়ে ভারী বিদ্যুৎ খরচের ব্যবসায় সোলারের payback period প্রায়ই ঘরোয়া ব্যবহারের চেয়ে দ্রুত হয়, যদি সিস্টেম সঠিকভাবে ডিজাইন করা হয়।
দ্রষ্টব্য: প্রতিটা ব্যবসার লোড প্যাটার্ন আলাদা। নির্দিষ্ট হিসাবের জন্য আপনার বিদ্যুৎ বিল ও যন্ত্রপাতির লোড বিবরণ নিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
না, অর্থহীন নয় — দিনের লোড সোলার দিয়ে কভার করলেও যথেষ্ট সাশ্রয় হয়, কারণ দিনে কম্প্রেসার লোড সাধারণত বেশি থাকে (বাইরের তাপমাত্রার কারণে)। ব্যাটারি একটা পরবর্তী ধাপ হতে পারে, প্রথম থেকেই আবশ্যক নয়।
ভারী মোটর চালু হওয়ার সময় হঠাৎ বেশি কারেন্ট টানতে পারে (inrush current) — এটা ইনভার্টার ডিজাইন করার সময় হিসাবে রাখা জরুরি। experienced installer এই বিষয়টা বিবেচনা করে সিস্টেম ডিজাইন করেন।
এটা নির্ভর করে মেশিনের মোট লোড ও দৈনিক চলার সময়ের ওপর। সাধারণ নিয়ম হিসেবে বলা কঠিন — বিদ্যুৎ বিল ও মেশিনের বিবরণ দেখে নির্দিষ্ট হিসাব করাই সঠিক পদ্ধতি।
এই বিষয়ে বা সোলারের যেকোনো প্রশ্ন — হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন।
হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন